ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আলোচনা হচ্ছে আন্দোলনের ‘মাস্টারমাইন্ড’ কে বা কারা সেটি নিয়ে। সম্প্রতি নিউইয়র্কে এক অনুষ্ঠানে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বিশ্বমঞ্চে তার বিশেষ সহকারী মাহফুজ আলমকে এই আন্দোলনের মাস্টারমাইন্ড হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন। মূলত এর পর থেকেই ‘মাস্টারমাইন্ড’ নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
এরপর শনিবার (১২ অক্টোবর) বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামসুজ্জামান দুদু দাবি করেন, এই আন্দোলনের একমাত্র মাস্টারমাইন্ড হচ্ছেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। কার্যকর আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য যা করা দরকার সবই করেছেন তারেক রহমান।
পত্রিকায় পড়লাম বিএনপির নেতা শামসুজ্জামান দুদু বলেছেন যে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ তারেক রহমান। আবার জামায়াতের আমির শফিকুর রহমান সাহেব বলেছেন, এই গণঅভ্যুত্থানের কৃতিত্ব ছাত্র-জনতার, কোনো দলের নয়। আবার কিছুদিন আগে প্রধান উপদেষ্টা বলেছেন- এই গণঅভ্যুত্থানের ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছে মাহফুজ। আশ্চর্য হওয়ার কিছুই থাকবে না যদি কয়েকদিন পর শোনা যায় যে আসল ‘মাস্টারমাইন্ড’ হচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়।
সোহেল তাজ স্মরণ করিয়ে দেন, ‘আমাদের সবার নিশ্চই মনে আছে, বেচারা প্রিন্স চার্লসের কত বছরই না অপেক্ষা করতে হয়েছিল রাজা হওয়ার জন্য।’
সোহেল তাজ স্মরণ করিয়ে দেন, ‘আমাদের সবার নিশ্চই মনে আছে, বেচারা প্রিন্স চার্লসের কত বছরই না অপেক্ষা করতে হয়েছিল রাজা হওয়ার জন্য।’
বুলবুল আহমেদ নামে একজন মন্তব্যে লিখেছেন,
“আপনাকে সত্যি অনেক সন্মান করতাম কিন্তু এখন দেখছি একজন দেশপ্রেমিকের ঘরে আরেক মির্জাফরের জন্ম হয়েছে, কাপাসিয়াবাসী সব সময় আওয়ামী লীগের প্রাণ ছিল, তারাও তাজউদ্দীন আহমেদের সন্তান হিসেবে আপনাকে অনেক সন্মান ও ভালোবাসাতেন, সেটা মনে হয় আর থাকবে না, থাকার কথা না।’
একজন লিখেছেন, ‘হিরো আলমের চিন্তা ভাবনা আরও ভালো।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘শেষ পর্যন্ত সজীব ওয়াজেদ জয়ের পেছনে লাগতে হলো সোহেল তাজকে? সোহেল তাজ ভুলে যাচ্ছেন সজীব ওয়াজেদ জয়, বঙ্গবন্ধুর রক্ত; যে রক্তের কাছে আমাদের সবার ঋণ আছে।’
এ রকম আরও অসংখ্য নেতিবাচক মন্তব্য করা হচ্ছে। প্রতি উত্তরেও হচ্ছে সমালোচনা।