প্রতিবেদন : মনির হোসেন মনু
সোনারগাঁও উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়নের আওয়ামী লীগ নেতাদের সাথে ছিল নিয়মিত ওঠাবসা। অংশ নিয়েছেন আওয়ামীলীগের বিভিন্ন কার্যক্রমে। নৌকা প্রতীকে চেয়েছেন ভোটও। নিজের এলাকায় দাঁপিয়ে বেড়াতেন আওয়ামী লীগ নেতা পরিচয়ে। আওয়ামী লীগ থেকে হয়েছিলেন মেম্বার। তবে এখন বিএনপি নেতা পরিচয়ে চেষ্টা করছেন সুবিধা মনির হোসেন মনু।
২৪-এর গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ভোল পাল্টে তিনি হয়ে গেছেন বিএনপির নেতা।
গত ৬ জানুয়ারি ২০২৬ কাঁচপুর ইউনিয়ন শ্রমিক দলের উদ্যোগে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদায়ী আত্মার মাগফেরাত কামনায় দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠানে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের দশটি হত্যা মামলার আসামি আওয়ামী লীগ নেতা মনির হোসেন মনু দেখা যায় সামনের শাড়িতে।
এর প্রতিবাদ জানিয়ে ওই ইউনিয়ন বিএনপির নেতারা বলছেন, ৫ আগস্টের আগে ওই নেতাকে দেখা গেছে আওয়ামী লীগের মিটিং ও বিভিন্ন কার্যক্রমে। আবার ৫ আগস্ট সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে হয়ে গেছেন বিএনপির নেতা। গা বাঁচাতে অনেকের মত তিনিও আওয়ামী লীগ থেকে বিএনপিতে যোগ দেওয়ার চেষ্টা করছন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক বিএনপি নেতা বলেন, ‘বিগত ১৭ বছর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে থেকে সকল সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন আ.লীগ নেতা মনির হোসেন মনু ।মনির হোসেন মনু সহ গত ৫ আগস্ট সরকার পতনের পর বিএনপি সেজে যারা দলে ঢুকে পড়েছে, সেসব আওয়ামী লীগ কর্মীকে প্রতিহত করতে হবে। গত ১৭ বছর থেকে বিএনপির ইউনিয়ন নির্যাতিত নেতাদের বাদ দিয়ে আওয়ামী লীগ নেতাকে সামনের শাড়িতে দেখে আমরা ক্ষিপ্ত। তিনি বলেন আগামী কোন প্রোগ্রাম আ.লীগ নেতা মনির হোসেন মনুকে সামনের শাড়িতে না রাখার জন্য জোর দাবি জানাচ্ছি।
জানা যায় মনির হোসেন মনু আওয়ামী লীগের আমলে কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা মোশাররফ ও আওয়ামী লীগ নেতা বাবুল ওমর বাবুর খুব কাছের মানুষ ছিলেন, তিনি আওয়ামী লীগের আমলে কাঁচপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র নেতা কর্মীদের বিভিন্ন মামলা দিয়ে হয়রানির করে ছিলেন।