April 25, 2026, 10:02 pm
Title :
সংসদের কেনাকাটায় ‘হরিলুট’, ৫ এমপিকে নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন বাড়ছে যানবাহনের ভাড়া ও দ্রব্যমূল্য: ডা. জাহেদ সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির প্রার্থী চূড়ান্ত ফেসবুক অফিস কেন জরুরি: সিরাজুল হক সাজিদ অচলাবস্থায় রাজশাহী নার্সিং কলেজ, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ গাইবান্ধায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াত কেশবপুর কলেজে অবহেলা, ৩৯ শিক্ষার্থী ঝুঁকিতে গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ

সিরাজগঞ্জ শহর বিএনপি নেতার বিরুদ্ধে ওএমএস ডিলারদের কাছ থেকে চাঁদাবাজির অভিযোগ

  • Update Time : Tuesday, January 13, 2026
  • 93 Time View

রুবেল তালুকদার: জেলা প্রতিনিধি সিরাজগঞ্জ

সিরাজগঞ্জ শহর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মুন্সি জাহিদ আলমের বিরুদ্ধে ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ডিলারদের কাছ থেকে নিয়মিত চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৫ আগস্ট স্বৈরশাসক শেখ হাসিনার পতনের পর সিরাজগঞ্জ পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় দখলদারিত্ব ও চাঁদাবাজি কার্যক্রম শুরু হয়। এর অংশ হিসেবে শহরের ১৫টি ওয়ার্ডের ওএমএস ডিলারদের ভয়ভীতি প্রদর্শনের মাধ্যমে প্রতিটি ডিলারের কাছ থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা করে আদায় করা হচ্ছে। এতে প্রতি মাসে প্রায় সাড়ে চার লাখ টাকা চাঁদা সংগ্রহ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।

অভিযোগ অনুযায়ী, জেলা যুবদল নেতা রবি, ৫ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি স্বপন এবং ছাত্রদল নেতা রাজুর মাধ্যমে এই চাঁদা উত্তোলন করা হয়। চাঁদাবাজির বিষয়টি আড়াল করতে ১৫টি ওয়ার্ডের সভাপতি ও কয়েকজন পদধারী নেতাকে মাসে ২০ হাজার টাকা করে ভাগ দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে।

সম্প্রতি কয়েক মাস ধরে এই চাঁদার অর্থ ওয়ার্ড বিএনপির কিছু নেতা নিজেদের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা করে নেওয়ায় অন্য নেতাকর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয়। এ অবস্থায় বিষয়টি গণমাধ্যমের নজরে আসে।

ওএমএস ডিলারদের বাইরে পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ড কমিটিতে অর্থের বিনিময়ে পদ-পদবি বিক্রির অভিযোগও উঠেছে মুন্সি জাহিদ আলমের বিরুদ্ধে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক ওএমএস ডিলার বলেন, “আওয়ামী লীগের আমলেও ওএমএস কার্যক্রম চালু ছিল, কিন্তু কখনো চাঁদা দিতে হয়নি। অথচ বিএনপি ক্ষমতায় আসার আগেই আমাদের কাছ থেকে চাঁদা নেওয়া হচ্ছে। এই অন্যায়ের বিচার আল্লাহর কাছেই দিলাম।”

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিরাজগঞ্জ জেলা বিএনপির একজন সিনিয়র নেতা জানান, “চাঁদাবাজির বিষয়টি নিয়ে একাধিক ডিলার আমাদের কাছে অভিযোগ করেছেন। তবে মুন্সি জাহিদ আলম দলের ওপর মহলের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ হওয়ায় আমরা এখনো কার্যকর সমাধান করতে পারিনি। আমরাও চাই এই চাঁদাবাজি বন্ধ হোক।”

এ বিষয়ে অভিযুক্ত মুন্সি জাহিদ আলম অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “আমি কোনো চাঁদাবাজির সঙ্গে জড়িত নই। কেউ যদি স্বেচ্ছায় দলীয় কর্মসূচির জন্য আর্থিক সহযোগিতা করে, সেটাকে চাঁদাবাজি বলা যায় না।”

উল্লেখ্য, গত বছর সিরাজগঞ্জ পৌরসভার ১৫টি ওয়ার্ডে ওএমএস ডিলার নিয়োগে লটারির সময় দলীয় প্রভাব খাটিয়ে লটারি বন্ধের চেষ্টা করার অভিযোগ ওঠে। সে সময় জেলা প্রশাসক মুন্সি জাহিদ আলমকে লটারি হলরুম থেকে বের করে দেন বলে জানা যায়।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Times News7
Theme Customized By BreakingNews