তিনি জানান, বৃষ্টি ও আজিমকে বান্দরবান থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তারা বর্তমানে ঢাকায় আনার পথে আছেন। তাদের বিরুদ্ধে কী ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তা পরে জানানো হবে।
এর আগে ১৭ অক্টোবর প্রকাশিত এক অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদনের পর আলোচনায় আসে এই দম্পতি। প্রতিবেদনে বিস্তারিতভাবে দেখানো হয়েছিল, কীভাবে এক বাংলাদেশি দম্পতি আন্তর্জাতিক এডাল্ট ইন্ডাস্ট্রিতে যুক্ত হয়েছেন এবং তাদের কর্মকাণ্ড কীভাবে তরুণদের এই খাতে আগ্রহী করছে।
বিশ্বের অন্যতম বড় একটি এডাল্ট ওয়েবসাইটে ২০২৫ সালের ১৬ অক্টোবর পর্যন্ত বৃষ্টি পারফর্মারদের মধ্যে শীর্ষস্থানে রয়েছেন। তিনি প্রথম ভিডিও প্রকাশ করেন ২০২৪ সালের ১৭ মে, এবং চলতি বছরের অক্টোবরের মাঝামাঝি পর্যন্ত তার ১১২টি ভিডিও প্রকাশিত হয়েছে, যা মোট ২৬৭ মিলিয়নেরও বেশি ভিউ পেয়েছে।
অন্য বাংলাদেশি নারী পারফর্মাররা সাধারণত মুখ ও পরিচয় গোপন রাখলেও আজিম ও বৃষ্টি উভয়েই নিজেদের পরিচয় প্রকাশ্যে রেখেছেন। তারা একাধিক আন্তর্জাতিক পর্ন সাইটে সক্রিয় এবং তাদের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট প্রচারের জন্য নিয়মিত পোস্ট দিয়ে থাকেন।
অক্টোবরের প্রথম দুই সপ্তাহে বিভিন্ন ফেসবুক পেজে অন্তত ৫০টি পোস্টে তাদের পর্নোগ্রাফিক ভিডিও প্রচারিত হয়েছে। তবে এসব পেজ তারা নিজেরা পরিচালনা করেন কিনা, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
বাংলাদেশের পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে পর্নোগ্রাফি উৎপাদন ও প্রচার একটি দণ্ডনীয় অপরাধ। বৃষ্টি ও আজিম শুধু নিজেরাই এতে জড়িত নন, বরং অন্যদেরও এই পথে উৎসাহিত করছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মাধ্যমে দেশে বসেই পর্ন ভিডিও নির্মাণ ও প্রচারের একটি নেটওয়ার্ক গড়ে উঠছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।