ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠনের পর প্রথমবারের মতো চট্টগ্রাম ও কক্সবাজার সফরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার সকাল সোয়া ৯টার দিকে ঢাকার তেজগাঁও বিমানবন্দর থেকে হেলিকপ্টারে করে তিনি কক্সবাজারের মহেশখালীর উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। দিনব্যাপী এই সফরে তিনি কক্সবাজার ও চট্টগ্রামের বিভিন্ন এলাকায় একাধিক উন্নয়ন প্রকল্প পরিদর্শন এবং জনগুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশ নিচ্ছেন।
সফরের শুরুতেই মহেশখালীতে মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (মিডা) কার্যক্রম পরিদর্শন করবেন প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি চট্টগ্রামের বাঁশখালী উপজেলার বাহারছড়া ইউনিয়নের পশ্চিম বাঁশখালী উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ মাঠে যাবেন। প্রধানমন্ত্রীর উপপ্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি জানান, সেখানে সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে নতুন ঘর হস্তান্তর করবেন তিনি।
বাঁশখালীর কর্মসূচি শেষে দুপুর দেড়টার দিকে ফটিকছড়ি উপজেলার পেহেলগাজী দিঘির মাঠে অবতরণ করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি আল-জামিয়াতুল ইসলামিয়া আজিজুল উলুম বাবুনগর মাদ্রাসায় গিয়ে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের আমীর আল্লামা শাহ মুহিব্বুল্লাহ বাবুনগরীর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। এরপর প্রয়াত আল্লামা শাহ আহমদ শফীর কবর জিয়ারত করবেন তিনি। সফরসূচি অনুযায়ী, বিকেল পৌনে ৪টার দিকে হাটহাজারী জেলা পরিষদ ডাকবাংলোয় বিরতি নেবেন প্রধানমন্ত্রী। বিকেলে ৫টায় হাটহাজারী সরকারি কলেজ মাঠে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসন বিষয়ক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। দিনের শেষ কর্মসূচি হিসেবে সন্ধ্যায় চট্টগ্রাম নগরের রেডিসন ব্লু হোটেলের অডিটরিয়ামে সাংগঠনিক সভায় অংশ নেবেন তিনি। সবশেষে রোববার রাতেই প্রধানমন্ত্রীর ঢাকায় ফেরার কথা রয়েছে।



