কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সুমেরু অঞ্চলের দ্বীপ গ্রিনল্যান্ডে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি নতুন চুক্তি স্বাক্ষরের প্রক্রিয়া চলছে। এই চুক্তির ফলে গ্রিনল্যান্ডের সার্বভৌমত্ব কোনোভাবেই ক্ষুণ্ন হবে না বলে ডেনমার্ক এবং গ্রিনল্যান্ড কর্তৃপক্ষ আনুষ্ঠানিক নিশ্চয়তা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গ্রিনল্যান্ডের নিরাপত্তার ওপর ওয়াশিংটনের স্থায়ী নিয়ন্ত্রণের দাবি তোলার পর শনিবার এই গুরুত্বপূর্ণ বার্তাটি সামনে এল।
গ্রিনল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী জেনস-ফ্রেডেরিক নিলসেন স্পষ্ট করেছেন যে, প্রস্তাবিত এই চুক্তি তাদের দেশের সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা এবং জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে পূর্ণ স্বীকৃতি দেয়। আগামী সপ্তাহে জাতিসংঘের অধিবেশন চলাকালে চুক্তিটি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী যুক্তরাষ্ট্র সেখানে সামরিক সক্ষমতা বাড়াতে পারবে, তবে অন্য কোনো শত্রুভাবাপন্ন দেশের জন্য সেখানে ঘাঁটি স্থাপনের সুযোগ থাকবে না। এদিকে, ট্রাম্প স্থায়ী কর্তৃত্বের দাবি জানালেও গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদ ও পররাষ্ট্রনীতি ওয়াশিংটনের নিয়ন্ত্রণে চলে যাচ্ছে কিনা, তা নিয়ে ধোঁয়াশা রয়েই গেছে। ন্যাটো এই উদ্যোগকে স্বাগত জানালেও বিশ্লেষকরা একে ওই অঞ্চলে মার্কিন আধিপত্য বিস্তারের কৌশল হিসেবেই দেখছেন।



