সাভারের আশুলিয়ায় জামগড়া চৌরাস্তা এলাকায় অবস্থিত প্রীতি গ্রুপের এফএনএস পোশাক কারখানায় ভয়াবহ গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। রবিবার সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে কারখানার সীমানা প্রাচীরের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি লরির সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। দীর্ঘ দুই ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ফায়ার সার্ভিসের ছয়টি ইউনিট রাত পৌনে ৯টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ছয়জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মৃতদের মধ্যে জয়নব বেগম নামে একজন স্থানীয় দোকানি রয়েছেন, যিনি কারখানার পাশেই কাপড় বিক্রি করতেন। বাকি পাঁচজনের মরদেহ পুড়ে যাওয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। এদের মধ্যে একজনের লাশ লরির ভেতরে এবং অন্যদের দেহ লরির চারপাশে পাওয়া গেছে।
আগুনে কারখানার কর্মচারী, রিকশাচালক ও পথচারীসহ অন্তত ২০ জন আহত হয়েছেন। স্থানীয় নারী ও শিশু স্বাস্থ্য হাসপাতালে ১৬ জনকে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে তিনজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে পাঠানো হয়েছে। আশুলিয়ার নারী ও শিশু হাসপাতালের ব্যবস্থাপক হারুন অর রশীদ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। ঘটনার সময় বিস্ফোরণের তীব্রতায় বয়লার ও পাইপের লোহার টুকরো চারপাশের ঘরবাড়ি ও রাস্তায় ছিটকে পড়ায় হতাহতের সংখ্যা বেড়েছে।
জিরাবো ফায়ার সার্ভিসের সিনিয়র স্টেশন অফিসার শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, খবর পাওয়ার সাথে সাথে তাদের টিম ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। ডিপিজেড ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যার হাউস ইন্সপেক্টর আব্দুস সালাম জানান, অগ্নিকাণ্ডের সঠিক কারণ ও ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ তদন্তের পর জানা যাবে। কারখানার অ্যাডমিন-ম্যানেজার হেমায়েত উদ্দিন দাবি করেছেন, কারখানার ভেতরে কোনো শ্রমিক আটকে পড়েননি এবং সবাই আগেই নিরাপদ স্থানে সরে আসতে পেরেছেন। প্রত্যক্ষদর্শী রনি জানান, ঘটনার ভয়াবহতায় বেশ কয়েকজনকে তিনি নিজে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়েছিলেন। পুরো ঘটনাটি বর্তমানে ফায়ার সার্ভিসের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তদন্ত করছেন। চাকরির আরও তথ্য: সাভারের আশুলিয়ায় জামগড়ার এলাকার প্রীতি গ্রুপের এফএনএস কারখানার ভেতরে থাকা লরির গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৬ জনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। চাকরির আরও তথ্য: খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের ৬টি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে প্রায় ২ ঘন্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। চাকরির আরও তথ্য: সাভার ডি ইপিজেড ফায়ার সার্ভিস এর দুটি ইউনিট এবং জিরাবো মডার্ন ফায়ার সার্ভিসের ৬ ইউনিটের টানা দুই ঘন্টার চেষ্টায় রাত পৌনে নয়টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। চাকরির আরও তথ্য: এছাড়া সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হয়ে পার্শ্ববর্তী একটি দোকানে গিয়ে পড়লে জয়নব বেগম নামে সেখানকার এক দোকানি মারা গিয়েছে।



