জাতিসংঘে ভাষণে জোহরান মামদানিকে লক্ষ্য করতে পারেন নেতানিয়াহু

, বিশ্ব

জাতিসংঘে ভাষণে জোহরান মামদানিকে লক্ষ্য করতে পারেন নেতানিয়াহু

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে বৃহস্পতিবারের (২৪ সেপ্টেম্বর) ভাষণে নিউ ইয়র্কের মেয়র জোহরান মামদানিকে আক্রমণ করতে পারেন ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীকে ‘যুদ্ধাপরাধী’ বলায় দুজনের বিরোধ এখন প্রকাশ্য রূপ নিয়েছে। চলতি সপ্তাহে এক ভিডিও বার্তায় নেতানিয়াহু বলেন, নিউ ইয়র্কে গিয়ে তিনি ‘ইসরাইলের বীর সেনাদের বিষয়ে সত্য’ এবং ‘মামদানির বিষয়ে সত্য’ তুলে ধরবেন। একই সঙ্গে মামদানি হামাসকে সমর্থন করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।

আইনি বিতর্ক ও নির্বাচনী প্রেক্ষাপট

  • নিউ ইয়র্কের মেয়র নির্বাচনের প্রচারে মামদানি বলেছিলেন, নেতানিয়াহু শহরে এলে তাকে যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে গ্রেপ্তারের উদ্যোগ নেবেন। পরে তিনি অবশ্য স্বীকার করেন, মেয়র হিসেবে এমন পদক্ষেপ নেয়ার আইনি ক্ষমতা তার নেই।
  • সম্প্রতি মামদানি নেতানিয়াহুকে ‘ফিলিস্তিনিদের ওপর ভয়াবহ গণহত্যার স্থপতি’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন। নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধের সব অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছেন।
  • চলতি বছরের জানুয়ারিতে মামদানি মেয়র হিসেবে দায়িত্ব নেয়ার পর এবারই প্রথম নিউইয়র্ক সফরে যাচ্ছেন নেতানিয়াহু। তার সফরের সময় ইসরাইলি সরকারের বিরোধীরা বিক্ষোভের পরিকল্পনা করেছেন।
  • আগামী ২৭ অক্টোবর ইসরাইলে সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা। গাজা যুদ্ধ ও জনমত জরিপে নেতানিয়াহুর ক্ষমতার ভিত্তি কিছুটা নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে।

ইসরাইলের সাবেক রাষ্ট্রদূত মাইকেল ওরেনের মতে, নেতানিয়াহুর জাতিসংঘ ভাষণ মূলত ইসরাইলি ভোটারদের উদ্দেশে দেয়া নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হতে পারে। তার ধারণা, মামদানি ও ইরানকে আক্রমণের মাধ্যমে নেতানিয়াহু দোদুল্যমান ভোটারদের সমর্থন আদায়ের চেষ্টা করবেন। এই ভাষণ বিশ্বমঞ্চে ইসরাইলের অবস্থানের চেয়ে দেশটির অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক সংকট সমাধানের হাতিয়ার হিসেবেই বেশি গুরুত্ব পাবে বলে মনে করা হচ্ছে।