পাকিস্তানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির সিলগালা ও নির্মাণ কাজ স্থগিত

, ধর্ম ও ইসলাম

পাকিস্তানে ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দির সিলগালা ও নির্মাণ কাজ স্থগিত

পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের ডেরা ইসমাইল খানের রহিম বাজারে অবস্থিত ঐতিহাসিক রামলীলা মন্দিরটি বন্ধ ঘোষণা করে সিলগালা করেছে স্থানীয় প্রশাসন। গত শনিবার (১৭ অক্টোবর) প্রাচীন এই ভবনটি ভেঙে সেখানে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের প্রক্রিয়া শুরু হলে স্থানীয়দের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। জনরোষের মুখে ডেরা ইসমাইল খানের সহকারী কমিশনার হামিদ সিদ্দিক মন্দির এলাকাটি সিলগালা করে দেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে সেখানে নির্মাণকাজ বন্ধ করার নির্দেশ দেন। কলকাতায় ভেঙে পড়ল দুর্গাপূজার মণ্ডপ, পদদলিত হয়ে প্রাণ গেল ১৯ জনের।

ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি রক্ষার দাবিতে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি ও হিন্দু সম্প্রদায়ের সদস্যরা জরুরি সভায় মিলিত হন। ডন-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এর আগে নাগরিক সমাজের কর্মীরা মন্দিরটি ভেঙে ফেলার উদ্যোগের বিরুদ্ধে হস্তক্ষেপ করেন।

নাগরিক সমাজের সভাপতি সোহেল আহমেদের কার্যালয়ে আয়োজিত ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন সাবেক প্রাদেশিক পরিষদ সদস্য কিশোর কুমার, সমাজকর্মী মুহাম্মদ নওমানসহ অন্যান্য স্থানীয় নেতৃবৃন্দ। মঙ্গলের উপগ্রহ থেকে নমুনা আনতে মহাকাশে অভিযান চালাবে জাপান।

অংশগ্রহণকারীরা প্রস্তাবিত এই বাণিজ্যিক নির্মাণ প্রকল্পের কড়া নিন্দা জানান এবং বিষয়টি জাতীয় পরিষদে উত্থাপনের জন্য নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের প্রতি জোরালো আহ্বান জানান। হাসপাতালের মর্গে মদের আসর, ভারতে চিকিৎসককে বরখাস্ত।

বৈঠকে অংশগ্রহণকারীরা জানান, উচ্ছেদকৃত সম্পত্তি ট্রাস্ট বোর্ড (ইটিপিবি) ডেরা ইসমাইল খানের প্রায় ৪০০টি ভবনকে সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করেছে, যার মধ্যে এই রামলীলা মন্দিরটিও অন্যতম। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনগত কর্তৃত্ব থাকা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও কীভাবে সেখানে বাণিজ্যিক স্থাপনা নির্মাণের অনুমতি দেওয়া হলো, তা নিয়ে উপস্থিতরা ক্ষোভ প্রকাশ করেন। মোদি সরকারের পতন চাই, তবে বাংলাদেশ-নেপালের মতো নয়। আবারও দিল্লি পুলিশের হাতে আটক অভিজিৎ দিপকে।

ঐতিহাসিক এই স্থাপনাটি ভাঙার অপচেষ্টার ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেছেন স্থানীয়রা। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন, জাতীয় পরিষদের স্পিকার এবং প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে অভিযোগ জানানোর সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছেন তারা। প্রত্নতাত্ত্বিক গুরুত্বসম্পন্ন স্থাপনাটি টিকিয়ে রাখতে যেকোনো মূল্যে প্রতিরোধ গড়ে তোলার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছেন নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরা। সৌদি আরবের ৪ অঞ্চলে রেড অ্যালার্ট জারি।

ঘটনাটি এমন সময় প্রকাশ্যে এল যখন স্থানীয় পর্যায়ে সাংস্কৃতিক ও ঐতিহ্যবাহী স্থাপনা সুরক্ষার বিষয়টি বড় আলোচনার জন্ম দিয়েছে। প্রশাসনিক হস্তক্ষেপে বর্তমানে নির্মাণকাজ বন্ধ থাকলেও, এই প্রাচীন স্থাপত্যের ভবিষ্যৎ নিয়ে স্থানীয়দের উদ্বেগ রয়েই গেছে। তারা আশা করছেন, উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মন্দিরটির যথাযথ সংরক্ষণ নিশ্চিত হবে এবং এর ঐতিহ্য রক্ষার লড়াইয়ে তারা সফল হবেন।