ভোটে মেসিকে হারিয়ে ব্যালন ডি’অরজয়ীদের সেরা রোনালদো

, খেলা

ভোটে মেসিকে হারিয়ে ব্যালন ডি’অরজয়ীদের সেরা রোনালদো

ফুটবল বিশ্বের দুই চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী লিওনেল মেসি ও ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর লড়াই নতুন মোড় নিয়েছে। এবার ব্যালন ডি’অর বিজয়ী ফুটবলারদের মধ্য থেকে ‘সেরাদের সেরা’ নির্বাচনের একটি বিশেষ ভোটে মেসিকে হারিয়ে শীর্ষস্থান দখল করেছেন রোনালদো। উয়েফা ও ফ্রান্স ফুটবল যৌথভাবে ‘বোট’ (BOAT) বা ‘বেস্ট অব অল টাইম’ নামে এই নতুন পুরস্কারের উদ্যোগ নিয়েছে। অন্তত দুবার ব্যালন ডি’অর জেতা ১০ জন কিংবদন্তি ফুটবলারকে নিয়ে এই আয়োজনের ভোট গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। সেই জয়ই তাকে এই ভোটে প্রথম স্থান এনে দিয়েছে। ফুটবলের দুই মহাতারকা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো ও লিওনেল মেসির লড়াইয়ে আবারও এগিয়ে গেলেন রোনালদো।

সমর্থকদের ভোটে রোনালদোর ২০০৮ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী মৌসুমটি তালিকার শীর্ষে উঠে এসেছে। ওই বছর ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে প্রথমবার এই সম্মান অর্জন করেন পর্তুগিজ এই তারকা। পরবর্তীতে ২০১৩, ২০১৪, ২০১৬ ও ২০১৭ সালেও তিনি ব্যালন ডি’অর জিতেছেন, যার শেষ চারটি এসেছে রিয়াল মাদ্রিদের জার্সিতে। তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেসি, তার ২০১২ সালের পারফরম্যান্সের সুবাদে। যদিও মেসি রেকর্ড আটবার ব্যালন ডি’অর জিতেছেন এবং রোনালদো জিতেছেন পাঁচবার, তবুও এই প্রতিযোগিতায় রোনালদোই সেরার খেতাব পেলেন। এছাড়া রোনালদোর ২০১৭ সালের ব্যালন ডি’অর জয়ী মৌসুমটিও তালিকার তৃতীয় স্থানে জায়গা করে নিয়েছে। দ্বিতীয় স্থানে আছেন মেসি, তার ২০১২ মৌসুম এ স্থানে আছে। এর মধ্যে শেষ চারটি জয় আসে রিয়াল মাদ্রিদে খেলার সময়।

এই প্রতিযোগিতার প্রক্রিয়াটি ছিল কিছুটা ভিন্ন; সমর্থকরা ভোট প্রদানের সুযোগ পেলেও প্রতিটি ভোটের জন্য ১ ইউরো করে খরচ করতে হয়েছে। মঙ্গলবার ও বুধবারের মধ্যবর্তী রাতে ব্যালন ডি’অরের আনুষ্ঠানিক ওয়েবসাইটে এই ভোট গ্রহণের প্রক্রিয়া শেষ হয়। উয়েফা জানিয়েছে, এই প্রক্রিয়ায় অংশ নেওয়া ভোটদাতাদের মধ্য থেকে একজনকে ২০২৭ সালের ব্যালন ডি’অর অনুষ্ঠানের দুটি টিকিট উপহার দেওয়া হবে।

এই বিশেষ নির্বাচনে ১০ জন কিংবদন্তি খেলোয়াড়কে বেছে নেওয়ার সুযোগ ছিল। তালিকার অন্যদের মধ্যে রয়েছেন তিনবার করে ব্যালন ডি’অর জয়ী মার্কো ফন বাস্তেন, মিশেল প্লাতিনি ও ইয়োহান ক্রুইফ। এছাড়া দুবার করে পুরস্কারটি জেতা রোনালদো নাজারিও, ফ্রাঞ্জ বেকেনবাওয়ার, কেভিন কিগান, আলফ্রেডো দি স্তেফানো ও কার্ল-হাইনৎস রুমেনিগেও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। পুরো আয়োজনটি মূলত ব্যালন ডি’অর জয়ীদের সেরা মৌসুমকে কেন্দ্র করেই সাজানো হয়েছে।