ঘরের কোণে থাকা স্মার্ট স্পিকারের সঙ্গে এখনকার শিশুরা অনায়াসেই নানা বিষয়ে আলাপ করে। সম্প্রতি জেনারেটিভ এআই প্রযুক্তি যুক্ত হওয়ায় গুগলের জেমিনাই বা অ্যামাজনের অ্যালেক্সা প্লাসের মতো যন্ত্রগুলো আগের চেয়ে অনেক বেশি দক্ষ হয়ে উঠেছে। বাতি নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে রিমাইন্ডার সেট করা বা ক্যালেন্ডার গুছিয়ে রাখার মতো মাল্টি-টাস্কিং এখন এসব ডিভাইসের সাধারণ বৈশিষ্ট্য। বাংলাদেশে এর সুবিধা সীমিত হলেও ঘরের ভেতর সবসময় সচল থাকা এই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা আপনার ব্যক্তিগত কথোপকথন ধারণ করছে কি না, তা নিয়ে উদ্বেগের যথেষ্ট কারণ রয়েছে। নয় বছরের নাঈম (ছদ্মনাম) ঘরের কোণের স্পিকারকে জিজ্ঞেস করল, ‘আজ রাতে কি বৃষ্টি হবে। তবে বাংলাদেশে সব সুবিধা এখনো পর্যন্ত পাওয়া যায় না। শিশুটা খিলখিল করে হেসে উঠল, কিন্তু মা ভাবলেন, যন্ত্রটা তাহলে সারাক্ষণ কান পেতেই আছে।
প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর দাবি, স্পিকার কখন শুনছে তা আলোর বলয় দেখে বোঝা সম্ভব এবং এর ভেতরে মাইক বন্ধ রাখার আলাদা বোতামও রয়েছে। তবে ঘরের দরজা বন্ধ থাকলেও এআই যন্ত্রগুলো আমাদের কথা শোনার ক্ষমতা রাখে কি না, তা নিয়ে সচেতন থাকা জরুরি। আপনার স্মার্ট স্পিকারের সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি ব্যক্তিগত গোপনীয়তা বজায় রাখতে নিচের পদক্ষেপগুলো মেনে চলতে পারেন স্পিকার সুন্দর করে উত্তর দিল, এমনকি জানতে চাইল, ছাতাটা কি সঙ্গে নেবে।
- গভীর বা সংবেদনশীল আলোচনার সময় স্পিকারের মাইক বন্ধ রাখুন।
- নিয়মিত বিরতিতে ডিভাইসের ভয়েস রেকর্ডিংয়ের ইতিহাস মুছে ফেলুন।
- ব্যাংকিং তথ্য বা পিন কোডের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় স্পিকারের সামনে বলা থেকে বিরত থাকুন।
সুবিধা আর ব্যক্তিগত নিরাপত্তার ভারসাম্য রক্ষা করতে বোতামের নিয়ন্ত্রণ সবসময় নিজের হাতে রাখা শ্রেয়। স্মার্ট স্পিকারের ব্যবহারে সর্বোচ্চ সচেতনতাই কেবল আপনাকে অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ থেকে মুক্ত রাখতে পারে।
গুরুত্বপূর্ণ তথ্য
- পিন বা ব্যাংকের তথ্য কখনো মুখে বলবেন না।



