April 19, 2026, 7:47 am
Title :
ফেসবুক অফিস কেন জরুরি: সিরাজুল হক সাজিদ অচলাবস্থায় রাজশাহী নার্সিং কলেজ, শিক্ষার্থীদের ৭২ ঘণ্টার আল্টিমেটাম তারেক রহমানকে নিয়ে কটূক্তির প্রতিবাদে রাজশাহীতে ছাত্রদলের বিক্ষোভ গাইবান্ধায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধন সংরক্ষিত নারী আসনে ১০ জনের নাম চূড়ান্ত করেছে জামায়াত কেশবপুর কলেজে অবহেলা, ৩৯ শিক্ষার্থী ঝুঁকিতে গণপূর্ত বিভাগ-১ এর নির্বাহী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে উন্নয়ন কাজে অনিয়মের অভিযোগ রায়গঞ্জে চান্দাইকোনা ওভারব্রিজ এলাকায় আইল্যান্ড ঘিরে বাড়ছে দুর্ঘটনা, আলোকসজ্জার দাবি শাহজাদপুরে মাদ্রাসা ছাত্রের গ,লাকাটা মর/দেহ উদ্ধার: পরিচয় শনাক্ত, আত*ঙ্কে এলাকাবাসী। রায়গঞ্জে সড়ক দখল, বাড়ছে যানজট ও পরিবেশ দূষণ

ফেসবুক অফিস কেন জরুরি: সিরাজুল হক সাজিদ

  • Update Time : Sunday, April 19, 2026
  • 2 Time View

প্রতিবেদন : তানিম হোসেন ইমন

‎বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের ব্যবহার যত বাড়ছে, ততই বাড়ছে সাইবার অপরাধ, অনলাইন প্রতারণা ও সামাজিক অবক্ষয়। এই সংকট মোকাবেলায় দীর্ঘ সাত বছর ধরে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন একজন মানুষ — তিনি এ.বি.এম. সিরাজুল হক সাজিদ। সরকার নিবন্ধিত সামাজিক সংগঠন অনলাইন কমিউনিকেশন সোসাইটির প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান এবং বেঙ্গল চ্যানেল ২৪-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশকে নিরাপদ করার স্বপ্ন নিয়ে অক্লান্ত পরিশ্রম করে যাচ্ছেন।

‎সমাজের প্রতিটি অন্যায়ে সোচ্চার এক কণ্ঠস্বর

‎এ.বি.এম. সিরাজুল হক সাজিদ শুধু ডিজিটাল জগতেই সীমাবদ্ধ নন। সমাজের যেকোনো অন্যায় ও অবিচারের বিরুদ্ধে তিনি সর্বদা সোচ্চার। শিশু নির্যাতন ও ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিরুদ্ধে সামাজিক সচেতনতা তৈরিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। অনলাইন কমিউনিকেশন সোসাইটির চেয়ারম্যান হিসেবে তিনি এই ধরনের সামাজিক অপরাধের বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলেছেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তার মতে, সামাজিক সচেতনতাই পারে এই ধরনের অপরাধ প্রতিরোধ করতে।

‎২০১৮ থেকে শুরু হওয়া এক অদম্য আন্দোলন

‎২০১৮ সালে যখন বাংলাদেশে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের অপব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়তে শুরু করে, তখন সিরাজুল হক সাজিদ উপলব্ধি করেন — শুধু সচেতনতামূলক প্রচারণা যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন কাঠামোগত পরিবর্তন। সেই থেকে তিনি বাংলাদেশে ফেসবুকের শাখা অফিস স্থাপনের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন। বিভিন্ন সভা, সেমিনার, গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তিনি এই দাবি তুলে ধরে আসছেন।

‎কেন জরুরি ফেসবুকের শাখা অফিস?

‎সিরাজুল হক সাজিদের মতে, বাংলাদেশে প্রায় সাড়ে পাঁচ কোটি মানুষ ফেসবুক ব্যবহার করেন। অথচ এই বিশাল ব্যবহারকারীগোষ্ঠীর অভিযোগ জানানোর কোনো সরাসরি পথ নেই। কোনো পেজ অন্যায়ভাবে বন্ধ হলে, কেউ অনলাইনে প্রতারণার শিকার হলে বা সাইবার বুলিংয়ের মুখে পড়লে — ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তি কোথায় যাবেন? জবাবদিহিতার কোনো জায়গা নেই।

‎তিনি বলেন, বাংলাদেশে ফেসবুকের শাখা অফিস স্থাপিত হলে —

‎প্রথমত, সরকার ও ফেসবুক কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরাসরি সমন্বয় সম্ভব হবে এবং ক্ষতিকর কনটেন্ট দ্রুত অপসারণ করা যাবে।

‎দ্বিতীয়ত, সাইবার অপরাধের শিকার ব্যক্তিরা সরাসরি অভিযোগ জানাতে পারবেন এবং দ্রুত প্রতিকার পাবেন।

‎তৃতীয়ত, ভুয়া খবর ও গুজব নিয়ন্ত্রণ সহজ হবে এবং সামাজিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখা সম্ভব হবে।

‎অনলাইন কমিউনিকেশন সোসাইটির কার্যক্রম

‎সিরাজুল হক সাজিদের নেতৃত্বে অনলাইন কমিউনিকেশন সোসাইটি দেশজুড়ে বহুমুখী সামাজিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। সংগঠনটি তরুণ প্রজন্মকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের সঠিক ও নৈতিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতন করছে। পাশাপাশি সাইবার বুলিং, অনলাইন প্রতারণা, শিশু নির্যাতন ও গুজবের বিরুদ্ধে সমাজের সর্বস্তরে সচেতনতামূলক বার্তা ছড়িয়ে দিতে নিরলস কাজ করছে। সংগঠনের চেয়ারম্যান হিসেবে সিরাজুল হক সাজিদ সকল সহযোদ্ধাদের নিয়ে এই আন্দোলনকে আরও শক্তিশালী করে তুলছেন।

‎চ্যালেঞ্জের মুখেও অবিচল

‎এই দীর্ঘ আন্দোলনের পথ মসৃণ ছিল না। বড় প্রযুক্তি কোম্পানির সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া, আন্তর্জাতিক নীতিমালার জটিলতা এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব — এই সব বাধা পেরিয়েও তিনি তার লক্ষ্যে অবিচল রয়েছেন। তার বিশ্বাস, একদিন না একদিন এই দাবি পূরণ হবেই।

‎ডিজিটাল বাংলাদেশের স্বপ্ন

‎এ.বি.এম. সিরাজুল হক সাজিদ বিশ্বাস করেন, একটি নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল ডিজিটাল পরিবেশ গড়ে তোলা সম্ভব — যদি সরকার, প্রযুক্তি কোম্পানি ও সমাজ একযোগে কাজ করে। সমাজের প্রতিটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে সোচ্চার এই মানুষটির অদম্য প্রচেষ্টা ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার স্বপ্নকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

Please Share This Post in Your Social Media

More News Of This Category
© All rights reserved © 2025 Times News7
Theme Customized By BreakingNews