ডারউইনে অনুষ্ঠিত সিরিজের প্রথম টেস্টে অস্ট্রেলিয়াকে চাপে ফেলে চালকের আসনে বসেছে বাংলাদেশ। হাসান মাহমুদের ৬ উইকেটসহ পেসারদের দুর্দান্ত বোলিং তোপে স্বাগতিকরা প্রথম ইনিংসে গুটিয়ে যায় মাত্র ১৯৮ রানে। এরপর ব্যাট করতে নেমে বাংলাদেশ দল দ্বিতীয় দিনে ২৫৫ রান সংগ্রহ করেছে এবং হারিয়েছে ৫টি উইকেট। দিনভর অজি বোলারদের নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ের বিপরীতে তানজিদ হাসান তামিম ও নাজমুল হোসেন শান্তরা দারুণ ধৈর্য ও দক্ষতার পরিচয় দিয়েছেন।
ম্যাচের দ্বিতীয় দিনের শুরুর সেশনে বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে একটি পরিসংখ্যান প্রকাশ করে অস্ট্রেলিয়ার সম্প্রচারকারী প্রতিষ্ঠান ফক্স স্পোর্টস। তখন বাংলাদেশের দলীয় সংগ্রহ ছিল ২ উইকেটে ১৪৭ রান এবং মুমিনুল হকের উইকেট পতনের পর দলটি অস্ট্রেলিয়ার চেয়ে ৫১ রানে পিছিয়ে ছিল। সেই মুহূর্তে স্ক্রিনে ভেসে ওঠা তথ্যে দেখা যায়, বাংলাদেশের জয়ের সম্ভাবনা ৫৬ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার ৪৩ শতাংশ এবং ম্যাচ ড্র হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ১ শতাংশ।
সেই ভবিষ্যদ্বাণীর সময় বাংলাদেশ পিছিয়ে থাকলেও, পরবর্তীতে সফরকারীরা কেবল সেই রানই টপকায়নি, বরং আরও ১৫৩ রান যোগ করে নিজেদের অবস্থান আরও শক্তিশালী করেছে। চা বিরতির সময় তানজিদ হাসান তামিমও দলের জয়ের সম্ভাবনার বিষয়টি অকপটে স্বীকার করেছেন। প্রথম দিনের শেষে ১ উইকেটে ৯৬ রান তোলা বাংলাদেশ দ্বিতীয় দিনে নিজেদের ব্যাটিং দৃঢ়তায় ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নিয়েছে।
দ্বিতীয় দিনের শুরুর সেশনে যখন জয়ের সম্ভাবনা ৫৬ শতাংশ ছিল, তখন দিনশেষে বাংলাদেশের আধিপত্য আরও স্পষ্ট হয়েছে। এখন ক্রিকেটপ্রেমীদের মনে প্রশ্ন জেগেছে, এমন দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের পর জয়ের সম্ভাবনা এখন ঠিক কতদূর গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে বাংলাদেশ এখন জয়ের সুবাস পাচ্ছে, যা পুরো ক্রিকেট বিশ্বে আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
এরপর দিন শেষ করেছিল ১ উইকেটে ৯৬ রান তুলে।
মুমিনুলের উইকেটটা অবশ্য খোয়ায় দলীয় ১৩৮ রানে।
আগের দিনের তুলনায় অজি বোলাররা আজ ভালো লাইনেই বল করেছেন।



