রংপুর নগরীর মাছুয়াপাড়া এলাকায় একটি দোতলা বাড়ি থেকে অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা চক্রবর্তী, মেয়ে আগামী চক্রবর্তী এবং পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র ছোট ছেলে প্রিয়ম চক্রবর্তীর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শনিবার রাত ১০টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িতে মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। এ ঘটনায় পুরো এলাকায় শোক ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গণপতি চক্রবর্তীর দোতলা বাড়ির নিচতলায় কেউ থাকতেন না। তল্লাশির সময় বাড়ির ছাদের দুই প্রান্তে গণপতি চক্রবর্তী, তার স্ত্রী প্রীতিলতা ও মেয়ে আগামী’র মরদেহ পাওয়া যায়। এছাড়া বাড়ির খাটের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয় প্রিয়মের মরদেহ। স্থানীয়দের ভাষ্যমতে, রাতে কয়েকজন যুবককে ওই বাড়ি থেকে বের হতে দেখা গিয়েছিল।
রংপুর মহানগর পুলিশের উপ-কমিশনার (গোয়েন্দা) সনাতন চক্রবর্তী জানান, ভুক্তভোগীদের গলায় দড়ি প্যাঁচানো ছিল এবং পুরো ঘরবাড়ি তছনছ অবস্থায় পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, এটি ডাকাতিজনিত কোনো ঘটনা হতে পারে। ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাতের চিহ্নসহ এই চাঞ্চল্যকর ঘটনার রহস্য উদঘাটনে পুলিশ ও গোয়েন্দা সংস্থা যৌথভাবে তদন্ত শুরু করেছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: শনিবার রাত ১০ টার দিকে স্থানীয়রা বাড়িতে লাশ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশকে খবর দেয়। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: একই বাড়িতে চারটি লাশ উদ্ধারের পর থেকেই এলাকাজুড়ে আতঙ্ক বিরাজ হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: চারজনকেই ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে হত্যা করা হয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: আমরা ধারণা করছি, এটা ডাকাতি হতে পারে।’।


