নেপাল ও তিব্বত সীমান্ত অঞ্চলে আকস্মিক বন্যায় ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় কর্মরত অন্তত ৯০০ শ্রমিক নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের মধ্যে অন্তত ৬৩ জন ভারতীয় নাগরিক রয়েছেন এবং তাদের অধিকাংশ স্বল্প আয়ের শ্রমিক। শুক্রবার নেপালি সেনাবাহিনী ত্রিশূলী-১ জলবিদ্যুৎ প্রকল্পের কাদার দেয়াল ভেঙে বেশ কয়েকজনকে জীবিত উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। তবে এখনো প্রকল্পের বিভিন্ন সুড়ঙ্গে অন্তত ১০০ জন এবং ত্রিশূলী-৩ প্রকল্পের মাটির নিচে আরও কয়েক ডজন শ্রমিক আটকা পড়ে আছেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
নিখোঁজদের মধ্যে ২৪ বছর বয়সী সুজন নেপালি অন্যতম, যিনি নাইট শিফট শেষে ঘুমাচ্ছিলেন। তার বোন সুশীশা মালুওয়ার প্রতিদিন হাসপাতালে ভাইয়ের খোঁজ করছেন। তিনি জানান, তারা এখনো আশা ছাড়েননি এবং বিভিন্ন স্থানে ছবি দিয়ে ভাইয়ের সন্ধান করছেন। এদিকে, উদ্ধার হওয়া মরদেহ শনাক্তকরণে হিমশিম খাচ্ছে কর্তৃপক্ষ। চিতওয়ান শহরের মর্গগুলোতে জায়গা না হওয়ায় অস্থায়ী ভবন তৈরি করতে হয়েছে। পানির প্রবল স্রোতে কিছু মরদেহ ভেসে ভারতেও চলে গেছে। নেপাল সরকার ও সেনাবাহিনী হেলিকপ্টার ব্যবহার করে দুর্গম এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে, তবে কাদার স্তূপের নিচে কতজন চাপা পড়ে আছেন তা নিশ্চিত করা কঠিন হয়ে পড়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: নেপালের ত্রিশূলী নদী অববাহিকায় গড়ে ওঠা জলবিদ্যুৎ প্রকল্পগুলোতে কাজ করা অন্তত ৯০০ শ্রমিক এখনও নিখোঁজ রয়েছেন। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হয়তো সে ইতোমধ্যে উদ্ধার হয়েছে বা কোথাও রয়েছে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: হাসপাতালে তার নাম লেখাচ্ছি এবং সর্বত্র ছবি ঝুলিয়ে দিচ্ছি, যাতে কোথাও না কোথাও তার সন্ধান মেলে। প্রতিবেদনে যোগ করা তথ্য: এদিকে হাসপাতালগুলোতে জমছে মরদেহের স্তূপ।



