শহরের দৈনন্দিন যাতায়াত আরও স্বাচ্ছন্দ্যময় ও সহজ করতে বাজারে নতুন ‘ডিও’ মডেলের স্কুটার নিয়ে এসেছে বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেড। রাজধানীতে ‘স্মার্ট ভাইব, ইজি রাইড’ স্লোগানে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে এর যাত্রা শুরু হয়। ১১০ সিসির স্বয়ংক্রিয় গিয়ারের এই স্কুটারটির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৭ হাজার টাকা। বর্তমানে সারা দেশে হোন্ডার অনুমোদিত এক্সক্লুসিভ শোরুমগুলোতে এটি পাওয়া যাচ্ছে।
প্রযুক্তিগত বৈশিষ্ট্যের দিক থেকে এতে রয়েছে উন্নত ১১০ সিসির পিজিএম-এফ১ ইঞ্জিন। স্কুটারটির ওজন মাত্র ১০১.৫ কেজি, উচ্চতা ৭৬৫ মিলিমিটার এবং প্রস্থ ৬৮০ মিলিমিটার হওয়ায় এটি চালানো অত্যন্ত সহজ। জ্বালানি সাশ্রয়ী এই যানে ১৮ লিটারের বড় স্টোরেজ, ওপেন গ্লাভবক্স ও পর্যাপ্ত ফ্লোরবোর্ড স্পেস রাখা হয়েছে। মোবাইল চার্জের সুবিধার্থে এতে যুক্ত করা হয়েছে ১৫ ওয়াটের টাইপ-সি চার্জিং পোর্ট। এটি ম্যাট মার্ভেল ব্লু মেটালিক, ম্যাট অ্যাক্সিস গ্রে মেটালিক ও ইম্পেরিয়াল রেড মেটালিক—এই তিনটি আকর্ষণীয় রঙে বাজারে পাওয়া যাবে।
বাংলাদেশ হোন্ডা প্রাইভেট লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সুসুমু মরিসাওয়া বলেন, বাংলাদেশে দুই চাকার যানবাহনের ক্ষেত্রে এটি নতুন এক অধ্যায়। তরুণ প্রজন্ম, নারী-পুরুষ এবং যারা নতুন স্কুটার চালানো শিখছেন, তাদের সবার দৈনন্দিন যাতায়াতের উপযোগী করে এটি তৈরি করা হয়েছে। একইসাথে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান বিপণন কর্মকর্তা শাহ মুহাম্মদ আশেকুর রহমান জানান, অটোমেটিক গিয়ার, কম ওজন ও কমপ্যাক্ট ডিজাইনের কারণে যানজটের মধ্যে এটি অনায়াসেই নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। স্বয়ংক্রিয় গিয়ার থাকায় গিয়ার পরিবর্তন না করেই স্কুটারটি চালানো যায়। তরুণদের পাশাপাশি নারী–পুরুষ এবং প্রথমবারের মতো মোটরসাইকেল বা স্কুটার চালাচ্ছেন, এমন ব্যক্তিরাও দৈনন্দিন জীবনের উপযোগী পরিবহন খুঁজছেন।’।
ক্রেতাদের সুবিধার জন্য স্কুটারটিতে দুই বছর অথবা ২০ হাজার কিলোমিটার—এর মধ্যে যেটি আগে পূরণ হবে—সেই মেয়াদের ওয়ারেন্টি দিচ্ছে হোন্ডা। এছাড়া গ্রাহকরা পাঁচটি ফ্রি সার্ভিস ও দুটি পেইড সার্ভিসের সুবিধাও পাবেন। অনুষ্ঠানে প্রতিষ্ঠানটির শীর্ষ কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে নতুন এই মডেলটি বাজারে নিয়ে আসা হয়, যা নগরবাসীর যাতায়াত ব্যবস্থায় নতুন গতি আনবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্টরা।



