মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় অভিযুক্ত সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক জুলাইয়ের ছাত্র আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের পক্ষেই অবস্থান নিয়েছিলেন। সোমবার (২৬ অক্টোবর) ঢাকার একটি আদালতে অনুষ্ঠিত শুনানি শেষে গণমাধ্যমের সামনে এই দাবি করেন তার আইনজীবী অ্যাডভোকেট ফারজানা ইয়াসমিন রাখি।
মোহাম্মদপুর থানায় দায়ের করা ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের ছাত্র আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলার আইনি কার্যক্রম শেষে প্রেস ব্রিফিং করেন আইনজীবী। তিনি জানান, জুলাইয়ের উত্তাল সময়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনের শুরু থেকেই পলক শিক্ষার্থীদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন।
আইনজীবী ফারজানা ইয়াসমিন আরও দাবি করেন, আলোচিত এই মামলার প্রাথমিক তথ্য বিবরণীতে (এফআইআর) জুনাইদ আহমেদ পলকের কোনো নাম নেই। এ কারণে তিনি নিজেকে এই মামলার অভিযোগ থেকে সম্পূর্ণ নির্দোষ বলে দাবি করছেন।
তবে আইনজীবীর উত্থাপিত এই দাবিগুলো স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি। মামলার বিস্তারিত নথিপত্র, আদালতের সুনির্দিষ্ট পর্যবেক্ষণ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট পক্ষের বক্তব্য সামনে এলে বিষয়টি নিয়ে আরও স্বচ্ছ ধারণা পাওয়া যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। ঠাকুরগাঁওয়ে ২১ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন, ড্রোন-ডগ ইউনিট দিয়ে নজরদারি।
উল্লেখ্য, বর্তমান পরিস্থিতিতে বিচার বিভাগীয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রকৃত সত্য উদঘাটনের অপেক্ষায় রয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। মামলার পরবর্তী শুনানিতে অভিযোগের ভিত্তি এবং আসামিপক্ষের দেওয়া তথ্যের সত্যতা নিয়ে আরও বিস্তারিত আলোচনার সম্ভাবনা রয়েছে।
জুলাই-আগস্টের ওই আন্দোলনের প্রেক্ষিতে দায়ের হওয়া অন্যান্য মামলার মতো এটিও নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন আইনজ্ঞরা। পলকের সম্পৃক্ততা নিয়ে আইনি লড়াইয়ের এই পর্যায়টি বর্তমানে গুরুত্বের সাথে দেখা হচ্ছে।
পরবর্তী আইনি কার্যক্রমের গতিপ্রকৃতি এবং আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে মামলার পরবর্তী ধাপ। সকল পক্ষের বক্তব্য এবং সংগৃহীত প্রমাণের ভিত্তিতেই আদালত আইন অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন বলে আশা করা যায়।



