আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে প্রথম বোলার হিসেবে ২০০ উইকেটের অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করেছেন আফগানিস্তানের তারকা লেগ স্পিনার রশিদ খান। একই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি ফরম্যাট মিলিয়ে সবচেয়ে বেশি ৭০০ উইকেট শিকারের একক রেকর্ডও নিজের দখলে নিয়েছেন ২৪ বছর বয়সী এই ক্রিকেটার। টি-টোয়েন্টিতে একমাত্র বোলার হিসাবে রশিদ খান শিকার করলেন ৭০০ উইকেট। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নামার আগে ২০০ উইকেটের মাইলফলকে পৌঁছাতে রশিদ খানের প্রয়োজন ছিল মাত্র এক উইকেট।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজা ক্রিকেট স্টেডিয়ামে জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে নামার আগে এই কীর্তি গড়তে রশিদের দরকার ছিল মাত্র একটি উইকেট। ম্যাচে জিম্বাবুয়ের উইকেটকিপার-ব্যাটসম্যান তাদিওয়ানাশে মারুমানিকে আউট করেই ক্যারিয়ারের ১২০তম ম্যাচে এসে এই ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জন করেন তিনি।
ম্যাচটিতে টসে জিতে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই বিপদে পড়েছিল আফগানিস্তান। মাত্র ৫ রান তুলতেই তারা ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে। তবে সেখান থেকে দারুণ প্রত্যাবর্তন ঘটে আজমতুল্লাহ ওমরজাইয়ের বিস্ফোরক সেঞ্চুরিতে। তিনি ৫০ বলে ১১৬ রান করেন এবং ইজাজ আহমেদজাইয়ের সঙ্গে ৫৯ বলে ১৪২ রানের চোখধাঁধানো জুটি গড়েন। শেষ দিকে রশিদ খানও ৬ বলে ২৫ রানের গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখলে আফগানিস্তানের সংগ্রহ দাঁড়ায় ২২১ রান। ইনিংসের শুরুতে মাত্র ৫ রানে ৪ উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে গিয়েছিল আফগানরা।
জবাব দিতে নেমে জিম্বাবুয়ের অধিনায়ক সিকান্দার রাজা ৫৬ বলে অপরাজিত ১০৬ রানের দুর্দান্ত শতক হাঁকালেও দলের হার এড়াতে পারেননি। ৫ উইকেটে ২০২ রানে থামে জিম্বাবুয়ের ইনিংস। ফলে ১৯ রানের জয় নিয়ে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ নিশ্চিত করে আফগানরা।
বর্তমানে আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টিতে সবচেয়ে বেশি উইকেটসংগ্রাহকের তালিকায় রশিদের পেছনে রয়েছেন ইংল্যান্ডের আদিল রশিদ (১৫৩ ম্যাচে ১৭১ উইকেট)। তালিকায় এর পরেই আছেন হংকংয়ের এহসান খান (১১৯ ম্যাচে ১৬৫ উইকেট), নিউজিল্যান্ডের ইশ সোধি (১৪২ ম্যাচে ১৬৫ উইকেট) এবং টিম সাউদি (১২৬ ম্যাচে ১৬৫ উইকেট)।


