বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী সোমবার সচিবালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি দুই দেশের বিদ্যমান রাজনৈতিক সম্পর্কের পাশাপাশি অর্থনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনা করেন। হাইকমিশনারের মতে, সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা খুব বেশি নয়; তারা মূলত শান্তি ও উন্নয়ন চায়।
বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নয়নের প্রসঙ্গ টেনে ত্রিবেদী জানান, কয়েক দিন আগেই ভারতের সিআইআই (CII) প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করেছে। তিনি উল্লেখ করেন, ওই প্রতিনিধি দল ভারতের জিডিপির ৮০ শতাংশের প্রতিনিধিত্ব করে এবং বাংলাদেশের ব্যবসায়ী সম্প্রদায়ের সঙ্গেও তাদের ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। দুই দেশের ব্যবসায়ীদের মধ্যে পারস্পরিক নির্ভরশীলতা বা ইন্টারডিপেন্ডেন্সি একটি স্থায়ী সমাধান হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন। তিনি আরও বলেন, দুই দেশের বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের নিয়মিত যোগাযোগ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।
হাইকমিশনারের ভাষ্যমতে, যখন অর্থনীতি রাজনীতির চেয়ে এগিয়ে থাকে, তখন রাজনীতি স্বয়ংক্রিয়ভাবেই অর্থনীতির পথ অনুসরণ করে। তিনি বলেন, সাধারণ মানুষ মূলত চাকরি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, বিদ্যুৎ এবং উন্নত অবকাঠামো চায়। দুই দেশের তরুণ প্রজন্মের আকাঙ্ক্ষা পূরণে শান্তি ও সমৃদ্ধি নিশ্চিত করা উভয় রাষ্ট্রেরই দায়িত্ব। তিনি জানান, যেকোনো উদ্যোগ গ্রহণের সময় তরুণ প্রজন্মের চাহিদাকে মাথায় রাখা প্রয়োজন।
দুই দেশের মধ্যে যৌথ উৎপাদন বা জয়েন্ট ভেঞ্চার প্রোডাকশনের ওপর গুরুত্বারোপ করে ত্রিবেদী বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত বিশ্ববাজারে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আমেরিকা বা ইউরোপের বাজারে গিয়ে যখন তিনি ‘মেড ইন বাংলাদেশ’ লেখা পোশাক দেখেন, তখন তা তার কাছে অত্যন্ত গর্বের মনে হয়। ভারত এক্ষেত্রে জিপার, বোতাম বা প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি সরবরাহের মাধ্যমে অংশীদার হতে পারে। পরিশেষে তিনি বলেন, শান্তি বজায় থাকলে তবেই সমৃদ্ধি আসবে এবং দুই দেশের পারস্পরিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। চাকরির আরও তথ্য: ত্রিবেদী বলেন, ‘দু’তিন দিন আগে আমাদের সিআইআই’র ডেলিগেশন এসেছিল। চাকরির আরও তথ্য: ওই ডেলিগেশন আমাদের ৮০% জিডিপির, আর এখানে বাংলাদেশের যা বিজনেস কমিউনিটি আছে ওদের সঙ্গেও দেখা হলো। চাকরির আরও তথ্য: কিন্তু এইটাও দরকার যে, অফিসার লেভেল; আমাদের অফিসার আর বাংলাদেশের যে বাণিজ্য মন্ত্রালয়ের অফিসার তাদের রেগুলার টাচে থাকা দরকার।’ তিনি বলেন, ‘দেখুন দু’দিকে আছে। চাকরির আরও তথ্য: আসল কথা হচ্ছে-সাধারণ মানুষ কী চায়। চাকরির আরও তথ্য: আর সবসময় আমি বলি যে, ডেমোক্রেসিতে ইস্যু থাকবে। চাকরির আরও তথ্য: এই কথাটাও বললাম, যে ওদের অনেক নলেজ। চাকরির আরও তথ্য: বেশিরভাগ ইয়াং জেনারেশন আছে, ইয়াং জেনারেশন যা ওদের ক্ষমতা আছে যা ওদের জানাশোনা আছে, যা ওদের এসপারেশন আছে দুই দেশের। চাকরির আরও তথ্য: যা করার আছে আমাদের, আমরা নিশ্চয়ই করব।



