ইরানে জিবিইউ-৪৩ বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

, বিশ্ব

ইরানে জিবিইউ-৪৩ বোমা ব্যবহারের পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের

ইরানে নতুন করে সামরিক অভিযান পরিচালনার অংশ হিসেবে দেশটির জ্বালানি ও পারমাণবিক স্থাপনায় বড় ধরনের হামলার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। এই সম্ভাব্য অভিযানের তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে শক্তিশালী অ-পারমাণবিক অস্ত্র জিবিইউ-৪৩/বি বা ‘মাদার অব অল বম্বস’ ব্যবহারের বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। সিএনএনের কাছে দেওয়া তথ্যে মার্কিন কর্মকর্তারা এই কৌশলী পরিকল্পনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। এ পরিকল্পনায় যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় অ-পারমাণবিক বোমা জিবিইউ-৪৩/বি, যা ‘মাদার অব অল বোম্বস’ নামে পরিচিত, ব্যবহারের বিষয়টিও রয়েছে বলে জানিয়েছে সিএনএন।

রয়টার্সের তথ্য অনুযায়ী, জিবিইউ-৪৩/বি ম্যাসিভ অর্ডন্যান্স এয়ার ব্লাস্ট মার্কিন অস্ত্রাগারে থাকা সর্বোচ্চ ক্ষমতার অ-পারমাণবিক বিস্ফোরক। তবে সামরিক বাহিনীর ভেতরেই এই ধরনের বিধ্বংসী কৌশল প্রয়োগের মাধ্যমে ওয়াশিংটন তাদের লক্ষ্য কতটা সফলভাবে অর্জন করতে পারবে, তা নিয়ে সংশয় ও প্রশ্ন রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এমন অস্ত্র প্রয়োগ মধ্যপ্রাচ্যের চলমান অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে আরও চরম রূপ দিতে পারে।

এদিকে পেন্টাগন ইরানে ধারাবাহিক হামলার প্রস্তুতির অংশ হিসেবে তিনটি রণতরি মোতায়েন রেখেছে। একই সময়ে বৈশ্বিক নানা ঘটনার তথ্যও উঠে আসছে। এর মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রে পৃথক বন্দুক হামলায় কয়েক ঘণ্টার ব্যবধানে ১৪ জনের মৃত্যু এবং ফ্লোরিডা-আলাবামায় হারিকেন ইসাইয়াসের তাণ্ডবে ৮ জনের প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। এছাড়া যুক্তরাষ্ট্রে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শিশুসহ ৬ জন নিহত হয়েছে।

মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য পরিস্থিতির মধ্যে ওমরাহযাত্রীরা হুতিদের হামলার মুখে পড়েছেন এবং রিয়াদে একজন বাংলাদেশি ইমাম নিহত হয়েছেন। রিয়াদ বিমানবন্দরে হুতিদের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জড়ানোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। অন্যদিকে, মক্কায় মসজিদে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে দুই বাংলাদেশির মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়েছে।

ডোনাল্ড ট্রাম্পের নোবেল সংক্রান্ত মন্তব্য এবং দুবাইয়ে ত্রিমাত্রিক পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়নের মতো বিষয়গুলোও বিশ্ব পরিসরে আলোচিত হচ্ছে। চলমান সামরিক উত্তেজনা ও আন্তর্জাতিক ঘটনার এই নতুন প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে বিশ্ববাসীর।