হাইতির রাজধানী পোর্ট-অ-প্রিন্সের কেনসকফ এলাকায় একটি গির্জায় সশস্ত্র গ্যাংয়ের ভয়াবহ হামলায় অন্তত ৪৭ জন প্রাণ হারিয়েছেন। রোববার রাত সাড়ে ১০টার দিকে ঘটা এই নৃশংস ঘটনায় আরও অন্তত ২২ জন আহত হয়েছেন। হামলাকারীরা গির্জায় আশ্রয় নেওয়া বাস্তুচ্যুত মানুষদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানোর পাশাপাশি বেশ কয়েকজনকে অপহরণ করে নিয়ে যায়। কেনসকফ শহরের মেয়র ম্যাসিলন জঁ জানান, চলতি বছরের শুরুতে গ্যাং সহিংসতার কারণে ঘরবাড়ি হারানো অনেক পরিবার এই গির্জায় আশ্রয় নিয়েছিল। হামলার সময় অস্ত্রধারীরা সেখানে আগুন ধরিয়ে দেয়, যার ফলে বহু ঘরবাড়ি ভস্মীভূত হয়েছে। জাতিসংঘ সতর্ক করেছে যে, এই ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।
স্থানীয় মানবাধিকার সংস্থা আরএনডিডিএইচ এবং পুলিশের প্রাথমিক প্রতিবেদনে ক্ষয়ক্ষতির ভয়াবহ চিত্র উঠে এসেছে। গির্জার কাছেই পুলিশ স্টেশন থাকা সত্ত্বেও নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে উঠেছেন। তারা স্থানীয় পুলিশপ্রধানের পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন। হাইতির প্রধানমন্ত্রী আলিক্স দিদিয়ে ফিল-এমে এই ঘটনাকে ‘জঘন্য আক্রমণ’ হিসেবে অভিহিত করে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং নিরাপত্তা বাহিনীকে সর্বোচ্চ সতর্কাবস্থায় থাকার নির্দেশ দিয়েছেন।
২০২১ সালে প্রেসিডেন্ট জোভেনেল ময়েস হত্যাকাণ্ডের পর থেকে রাজধানী ও এর পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলো ‘ভিভ আনসানম’ নামক অপরাধী চক্রের জোটের নিয়ন্ত্রণে চলে গেছে। জাতিসংঘের তথ্যমতে, দেশটিতে গ্যাং সহিংসতার কারণে প্রায় ১৫ লাখ মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন এবং ৫০ লাখেরও বেশি মানুষ তীব্র খাদ্য সংকটের মুখে পড়েছেন। চাকরির আরও তথ্য: এতে আরো অন্তত ২২ জন আহত হন। চাকরির আরও তথ্য: এ খবর দিয়েছে বার্তা সংস্থা রয়টার্স।



