জাপানে চারদিনের সরকারি সফরে অবস্থান করছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তার সফরের দ্বিতীয় দিনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠককে কেন্দ্র করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে স্বাগত জানিয়ে টোকিওতে সমাবেশ করেছেন জাপান বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা। মঙ্গলবার জাপানের স্থানীয় সময় সকাল ১০টায় জাপানের প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে এই সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। একই এলাকায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের (বর্তমানে বাংলাদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ) জাপানের স্থানীয় নেতাকর্মীদেরও অবস্থান নিতে দেখা গেছে। এসময় নেতাকর্মীদের হাতে থাকা ব্যানার ও ফেস্টুনের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা ও স্বাগত জানানো হয়।
সমাবেশে অংশগ্রহণ ও কার্যক্রম
জাপানের বিভিন্ন শহর থেকে আগত বিএনপি ও এর অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সমবেত হন। জাপান বিএনপির সভাপতি মীর রেজাউল করিম রেজার নেতৃত্বে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে নেতাকর্মীরা ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শন করেন। প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরকে স্বাগত জানিয়ে তারা বিভিন্ন স্লোগান দেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত এই সমাবেশকে ঘিরে জাপান বিএনপির স্থানীয় নেতাকর্মীদের সরব উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। সমাবেশস্থলে আওয়ামী লীগের অনুসারী কর্মীদেরও পাল্টা স্লোগান দিতে দেখা যায়, যা এলাকাটিতে উত্তেজনার সৃষ্টি করে। তবে সামগ্রিক পরিবেশে বিএনপি নেতাকর্মীদের উচ্ছ্বাস ও অংশগ্রহণ ছিল লক্ষণীয়।
নেতৃবৃন্দের উপস্থিতি
সমাবেশটিতে জাপান বিএনপির শীর্ষ নেতারা নেতৃত্ব প্রদান করেন। উপস্থিত নেতাদের মধ্যে ছিলেন সাধারণ সম্পাদক মনি এমদাদ, সিনিয়র সহসভাপতি আলমগীর হোসেন মিঠু, সহসভাপতি ড. মাসুম জাকির, জসিম উদ্দিন, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কাজী সাদেকুল হায়দার বাবলু ও জুয়েল পাঠান। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাপান বিএনপির ধর্মবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হান্নান, অর্থবিষয়ক সম্পাদক তাওহীদুল ইসলাম হেলাল, স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা ফরহার প্রিন্স চৌধুরী, যুবদল নেতা ইমরান আল ইমু, জাহিদুল ইসলাম তারেক, কাজী এনামুল হক, আশিক প্রধান ও মোল্লা সেলিম আহমেদ। মূলত প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের এই সফরকে ঘিরে তাকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানাতে এবং দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের প্রতি সমর্থন প্রকাশ করতেই জাপান বিএনপি এই কর্মসূচির আয়োজন করে। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এই সমাবেশে স্থানীয় প্রবাসীদের সরব অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে। জাপান ও বাংলাদেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের নতুন সমীকরণে এই বৈঠক ও সমাবেশ বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।



