চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় এমবাপ্পে

, খেলা

চ্যাম্পিয়ন্স লিগে মেসিকে ছাড়িয়ে নতুন উচ্চতায় এমবাপ্পে

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগে নিজের ক্যারিয়ারে আরও এক গৌরবময় অধ্যায় যোগ করলেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। এএইকে এথেন্সের বিপক্ষে রিয়াল মাদ্রিদের ৩-২ গোলের শ্বাসরুদ্ধকর জয়ের ম্যাচে গোল ও অ্যাসিস্ট মিলিয়ে প্রতিযোগিতায় ১০০ গোলে সরাসরি অবদান রাখার মাইলফলক স্পর্শ করেছেন তিনি। মাত্র ১০২ ম্যাচে এই কৃতিত্ব গড়ে তিনি টুর্নামেন্টের ইতিহাসে যৌথভাবে দ্বিতীয় দ্রুততম খেলোয়াড় হিসেবে নিজের নাম লিখিয়েছেন। এথেন্সের মাঠে অনুষ্ঠিত ম্যাচে শুরু থেকেই ছিল উত্তেজনা। তবে সেই লিড বেশিক্ষণ ধরে রাখতে পারেনি এএইকে। দুইবার পিছিয়ে পড়েও শেষ পর্যন্ত ৩-২ ব্যবধানে জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে স্প্যানিশ ক্লাবটি।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ১০২ ম্যাচে এমবাপ্পের গোল সংখ্যা ৭৪টি এবং ২৬টি অ্যাসিস্ট। একই সংখ্যক ম্যাচে ১০০ গোলে অবদান রাখার রেকর্ড রয়েছে রবার্ট লেভানডভস্কির। তবে এই রেকর্ডে এমবাপ্পে ছাড়িয়ে গেছেন ফুটবল জাদুকর লিওনেল মেসিকে, যার এই মাইলফলকে পৌঁছাতে লেগেছিল ১০১ ম্যাচ। অবশ্য ১৮২ গোলে অবদান রেখে তালিকার শীর্ষস্থানটি এখনো ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দখলে, যার ঝুলিতে রয়েছে ১৪০ গোল ও ৪২টি অ্যাসিস্ট। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে ১০২ ম্যাচে এমবাপ্পের গোলসংখ্যা ৭৪, সঙ্গে রয়েছে ২৬টি অ্যাসিস্ট। অপটার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, একই সংখ্যক ম্যাচে ১০০ গোলে অবদান রেখে তার পাশে রয়েছেন বায়ার্ন মিউনিখ ও বার্সেলোনার সাবেক স্ট্রাইকার রবার্ট লেভানডভস্কি।

ম্যাচের শুরুর দিকে ১২ মিনিটে আবৌবাকারি কোইতা গোল করে এএইকে এথেন্সকে এগিয়ে দেন। তবে ৩২ মিনিটে জুড বেলিংহামের ব্যাকহিল ফিনিশিংয়ে সমতায় ফিরে রিয়াল। দ্বিতীয়ার্ধের ৭৫ মিনিটে স্টাভ্রো পিলোর গোলে স্বাগতিকরা পুনরায় এগিয়ে গেলেও রিয়াল দমে যায়নি। তিন মিনিট পরেই ডেনজেল ডামফ্রিসের পাসে লক্ষ্যভেদ করে দলকে সমতায় ফেরান এমবাপ্পে এবং নিজের ঐতিহাসিক সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন। দ্বিতীয়ার্ধে ৭৫ মিনিটে কোইতার পাস থেকে গোল করে স্বাগতিকদের আবারও এগিয়ে দেন স্টাভ্রো পিলো।

ম্যাচের শেষ দিকে ফেদেরিকো ভালভের্দের গোলে জয় নিশ্চিত হয় রিয়াল মাদ্রিদের। এই গোলটির মাধ্যমে চ্যাম্পিয়ন্স লিগে টানা ছয় ম্যাচে গোল করার অনন্য ধারাবাহিকতাও বজায় রেখেছেন ২৭ বছর বয়সি এমবাপ্পে। তার এই দুর্দান্ত ফর্মে ইউরোপের শীর্ষ আসরে রিয়ালের আক্রমণভাগ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী ও ধারালো হয়ে উঠেছে। ব্যক্তিগত অর্জনের পাশাপাশি দলের এই কঠিন জয়ে মূল ভূমিকা পালন করে ফরাসি অধিনায়ক নিজের ক্যারিয়ারের রেকর্ডের খাতায় নতুন উচ্চতা যোগ করলেন।