মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি প্রদর্শনের মামলায় শুনানি শেষে জামিন পেয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। এর আগে বুধবার এই মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য থাকলেও অসুস্থতার কারণ দেখিয়ে পরীমনি আদালতে অনুপস্থিত ছিলেন। এতে বিচারক তার জামিন বাতিল করে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছিলেন। এর আগে বুধবার (৪ নভেম্বর) মামলাটিতে সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল।
বুধবার আদালতে পরীমনির আইনজীবী সময় চেয়ে আবেদন করলেও বাদীপক্ষ জামিন বাতিলের আবেদন জানায়। সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মাহফুজুর রহমানের আদালত উভয় পক্ষের শুনানি শেষে ওই পরোয়ানা জারির আদেশ দেন। তবে পরোয়ানা জারির একদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের নিয়ে আদালতে হাজির হন এই অভিনেত্রী। বেলা ১১টার দিকে তাকে আদালত প্রাঙ্গণে একটি সাদা গাড়ির ভেতরে অপেক্ষা করতে দেখা যায়। পরোয়ানা জারির একদিন পর বৃহস্পতিবার সকালে প্রায় ১০ জন ব্যক্তিগত নিরাপত্তাকর্মী নিয়ে আদালতে হাজির হন পরীমনি।
আদালত থেকে জামিন পাওয়ার পরপরই নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে একটি বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন পরীমনি। বৃহস্পতিবার দুপুরে তিনি সেখানে লিখেছেন, ‘গু খা’। তার এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে নেটিজেনদের মধ্যে নতুন করে আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।
ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা এই মামলায় গত বছর ২৬ জানুয়ারি পরীমনিসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। তখনো তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল এবং সেইবারও তিনি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের করা এ মামলায় ২০২৫ সালের ২৬ জানুয়ারি পরীমনিসহ তিন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন আদালত। মাদরাসায় শারীরিক শাস্তি বা অনুপযুক্ত স্পর্শ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়: আজহারী। নিজ সন্তানের নিরাপত্তায় কোনো ছাড় নেই, এটাই শেষ কথা।
উল্লেখ্য যে, এই আইনি লড়াইয়ের পাশাপাশি বর্তমান সময়ে নানা ইস্যুতে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচনা চলছে।
এর আগে ‘মিডিয়া চাইলে বাপকেও কিনতে পারে’ শিরোনামে তাশরীফের মন্তব্য, আজহারীর মাদরাসা সংক্রান্ত বক্তব্য এবং ভারতের আন্দোলন নিয়ে নেহা বোরার মন্তব্যসহ বিভিন্ন বিষয় সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চিত হয়েছে। প্রেমের টানে ঘর ছাড়লেন তরুণী, দুই গ্রামের সংঘর্ষে আহত ১৫। ঢাকা ও আশপাশের বিভিন্ন শিল্পাঞ্চলে ৩৩ প্লাটুন বিজিবি মোতায়েন।
তবে সব ছাপিয়ে বৃহস্পতিবার পরীমনির আদালতে আত্মসমর্পণ ও জামিন পাওয়ার বিষয়টিই ছিল আলোচনার কেন্দ্রে।



