২০২৬ সালের ব্যালন ডি’অর পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আবারও নিজের শ্রেষ্ঠত্বের প্রমাণ দিলেন স্পেনের ফরোয়ার্ড লামিনে ইয়ামাল। পুরুষদের তরুণ প্রতিভার এই মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কারটি জিতে ১৯ বছর বয়সী এই তারকা টানা তৃতীয়বার সেরা হওয়ার অনন্য রেকর্ড গড়লেন। এর আগে ২০২৪ ও ২০২৫ সালেও তিনি এই খেতাব অর্জন করেছিলেন। লন্ডনের প্যালাডিয়াম থিয়েটারে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ইউক্রেনের কিংবদন্তি ফুটবলার আন্দ্রি শেভচেঙ্কো তার হাতে পুরস্কারটি তুলে দেন।
চলতি ২০২৫–২৬ মৌসুমে বার্সেলোনার জার্সি গায়ে দুর্দান্ত ছন্দে ছিলেন ইয়ামাল। সব ধরনের প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৫টি ম্যাচে মাঠে নেমে তিনি নিজে ২৪টি গোল করেছেন এবং সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৮টি গোল। তার অসাধারণ নৈপুণ্যে বার্সেলোনা লা লিগা এবং স্প্যানিশ সুপার কাপের শিরোপা জয় নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে স্প্যানিশ লিগে তিনি ১৬টি গোলের পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করে প্রতিযোগিতার সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতার আসনও দখল করেছেন। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ৪৫ ম্যাচে তাঁর গোল ২৪টি, সঙ্গে সতীর্থদের দিয়ে করিয়েছেন আরও ১৮ গোল। স্প্যানিশ লিগে ১৬ গোলের পাশাপাশি ১১টি অ্যাসিস্ট করে প্রতিযোগিতাটির সর্বোচ্চ অ্যাসিস্টদাতাও হয়েছেন তিনি।
পুরস্কার গ্রহণের মঞ্চে বার্সেলোনা, স্পেন জাতীয় দল এবং সবসময় সমর্থন প্রদানকারী সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন ইয়ামাল। এই অর্জনের মুহূর্তে তিনি তার সতীর্থ ডিফেন্ডার পাউ কুবারসির অবদানের কথাও স্মরণ করেছেন। ইয়ামালের মতে, কুবারসিও এই পুরস্কার পাওয়ার মতো যোগ্য এবং দীর্ঘ সময় ধরে তিনি ধারাবাহিকভাবে দুর্দান্ত পারফরম্যান্স করে আসছেন। তবে ব্যক্তিগত এই স্বীকৃতির মুহূর্তেও সতীর্থ পাউ কুবারসির কথা ভুলে যাননি তিনি।
উল্লেখ্য, ২০১৮ সালে চালু হওয়া এই পুরস্কারটি আগে ‘কোপা ট্রফি’ নামে পরিচিত ছিল। অনূর্ধ্ব-২১ পর্যায়ের সেরা পুরুষ ফুটবলারকে এই স্বীকৃতি প্রদান করা হয়। বার্সেলোনার খেলোয়াড় হিসেবে এর আগে ২০২১ সালে পেদ্রি এবং ২০২২ সালে গাভি এই ট্রফি জিতেছিলেন। ইয়ামালের টানা তিনবার জয়ে এই ক্যাটাগরিতে বার্সেলোনার আধিপত্য ও সাফল্যের ধারা আরও সুসংহত হলো।



