একাদশে ভর্তি: দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কলেজবঞ্চিত

, শিক্ষা

একাদশে ভর্তি: দ্বিতীয় পর্যায়ে ৫ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী কলেজবঞ্চিত

২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির দ্বিতীয় পর্যায়ের ফল প্রকাশিত হয়েছে। সোমবার রাতে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির নির্ধারিত ভর্তিবিষয়ক ওয়েবসাইটে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। নতুন এই ধাপে মোট ১ লাখ ৭৯ হাজার ৩৪০ জন শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পেয়েছেন। আগের ধাপের ৮ লাখ ২৩ হাজার ৯৪৮টি বরাদ্দের সঙ্গে এগুলো যোগ হয়ে বর্তমানে মোট কলেজ পাওয়ার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১০ লাখ ৩ হাজার ২৮৮টিতে। আগের ধাপে নিশ্চিত হওয়া বরাদ্দসহ এখন পর্যন্ত মোট ১০ লাখ ৩ হাজার ২৮৮ জন শিক্ষার্থী কলেজ বরাদ্দ পেয়েছেন।

দ্বিতীয় পর্যায়ের ফলাফলে আবেদনকারীদের মধ্যে ৫ হাজার ১২৯ জন শিক্ষার্থী কোনো কলেজ পাননি বলে জানা গেছে। বরাদ্দের তালিকা থেকে বঞ্চিতদের মধ্যে ৩২১ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পাওয়া সত্ত্বেও কোনো প্রতিষ্ঠানে মনোনয়ন পাননি। মূলত আসনসংখ্যার সীমাবদ্ধতা, পছন্দক্রমের জটিলতা এবং ভর্তিযোগ্যতার শর্ত পূরণ না হওয়ায় এসব শিক্ষার্থী বাদ পড়েছেন। এছাড়া ৪১৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীরা আবেদন করলেও নির্ধারিত ন্যূনতম যোগ্যতা ও শর্ত পূরণ না হওয়ায় কোনো শিক্ষার্থীকে সেখানে বরাদ্দ দেওয়া সম্ভব হয়নি। বিপরীতে ১২টি কলেজে কোনো শিক্ষার্থীই আবেদন করেননি।

তথ্য অনুযায়ী, দ্বিতীয় ধাপে মোট ১ লাখ ৮৪ হাজার ৪৬৯ জন শিক্ষার্থী কলেজ পছন্দের জন্য আবেদন করেছিলেন, যার মধ্যে নতুন আবেদনকারীর সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ জন। সার্বিক ভর্তি প্রক্রিয়ায় দেখা যায়, আগের ধাপে কলেজ বরাদ্দ পেয়েও ২৭ হাজার ৫৬৬ জন শিক্ষার্থী তা নিশ্চিত করেননি এবং পুনরায় আবেদনের সুযোগ নিয়েছেন। অন্যদিকে ১ হাজার ৯২৭ জন শিক্ষার্থী আগের বরাদ্দ নিশ্চিত না করলেও নতুন করে কোনো আবেদন করেননি।

অটো-মাইগ্রেশনের বিষয়টিও এবার আলোচনায় রয়েছে। প্রথম ধাপের আবেদনকারীদের মধ্যে ৩ লাখ ৯৭ হাজার ৯৩৫ জন অটো-মাইগ্রেশন সুবিধা চালু রেখেছিলেন, যাদের পছন্দের কলেজে দ্বিতীয় পর্যায় পর্যন্ত কোনো পরিবর্তন আসেনি। এছাড়া ৪ লাখ ২৬ হাজার ১৩ জন শিক্ষার্থী অটো-মাইগ্রেশন সুবিধা গ্রহণ করেননি। সব মিলিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ের ফল অনুযায়ী, প্রায় ৯৯ শতাংশ আবেদনকারী কলেজ বরাদ্দ পেয়েছেন এবং প্রায় ১ শতাংশ শিক্ষার্থী বরাদ্দের বাইরে রয়ে গেছেন। যারা এ পর্যায়ে কলেজ পাননি বা নতুন করে আবেদনের অপেক্ষায় আছেন, তারা নিয়ম অনুযায়ী পরবর্তী ধাপে অংশগ্রহণের সুযোগ পাবেন। অটো-মাইগ্রেশনের ক্ষেত্রেও উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী তাদের পছন্দ বজায় রেখেছেন।